এ্যাসিডিটি, পেপটিক আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্যে “শরবত কম্বো প্যাকেজ” খুবই উপকারী
শরবত কম্বো শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত ফাইবার শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

পূর্বের মূল্য ১৩৫০ টাকা
বর্তমান অফার মূল্য ৯৫০টাকা

অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন

Billing details

Shipping

Your Products

শরবত কম্বো প্যাকেজ
শরবত কম্বো প্যাকেজ
+
৳ 950.00

Your order

Product Subtotal
শরবত কম্বো প্যাকেজ  × 1 ৳ 950.00
Subtotal ৳ 950.00
Shipment
Total ৳ 950.00
  • প্রোডাক্ট নিতে না চাইলে, অযথা অর্ডার করে আমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না প্লিজ!

৫ ধরনের মিক্স সীড(৫০০গ্রাম), শরিষা ফুলের মধু (১ কেজি), হিমালয়ান পিংক সল্ট(২৫০ গ্রাম)- শরবত কম্বো প্যাকেজ

অনেকেই দীর্ঘদিন যাবৎ পেটের নানা ধরনের সমস্যায় ভুগছেন? বিশেষ করে, যারা কো-ষ্ঠ-কাঠিন্যে; তারা বেশিরভাগ সময়ই লজ্জায় এ মারাত্মক সমস্যার কথা শেয়ার করতে চান না। কিন্তু তিনি নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন।

বনাজি বিডি- যেভাবে কাস্টমারের আস্থার জায়গা করে নিয়েছে !!!

ফ্রি ডেলিভারী

বনাজি বিডি প্রথম যারা সারা বাংলাদেশ ফ্রি হোম ডেলিভারী করার সাহস দেখিয়েছে

শতভাগ খাটি নিশ্চয়তা

আমাদের মধু ভেজাল প্রমান করতে পারলে বনাজি বিডি থেকে আপনাকে পুরস্কৃত করা হবে

ক্যাশ অন ডেলিভারী

বনাজি বিডি এর কোন মধু অর্ডার করতে এক টাকাও অগ্রিম দিতে হবে না।

দ্রুত ডেলিভারী সুবিধা

ঢাকার মধ্যে এক বা দুই দিনে এবং ঢাকার বাইরে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ ।

“শরবত কম্বো প্যাকেজ”আপনার দেহের জন্য কতটা সাস্থ্যকর !!!

প্রদাহ নাশক

প্রদাহ নাশক (Anti-inflammatory) এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

হজমে সহায়তা:

রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এটি স্বাস্থ্যকর হজম ব্যবস্থা নিশ্চিত করে। বিপাকে সহায়তা করে।

প্রোটিনের ঘাটতি

ক্লান্তি এবং অবসন্নতা প্রতিরোধের একটি কার্যকর, প্রাকৃতিক উপায়।

হৃদ্রোগে:

রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রন করে। ক্যালসিয়াম ও উচ্চ প্রোটিন যা হাড়কে মজবুত ও শক্তিশালী করে।

আমাদের “শরবত কম্বো ”প্যাকেজে রয়েছে- ১. তোকমা দানা ১০০ গ্রাম । ২. তুলসী বীজ ১০০গ্রাম । ৩. ইসবগুল ১০০ গ্রাম । ৪. হালিম বীজ ১০০গ্রাম । ৫. চীয়া বীজ ১০০ গ্রাম
*সরিষা ফুলের মধু ১ কেজি। *পিংক সল্ট ২৫০ গ্রাম।

৫ ধরনের মিক্স সীড, শরিষা ফুলের মধু এবং হিমালয়ান পিংক সল্ট
সম্পর্কে আরোও খুঁটিনাটি জেনে নিই

তোকমার দানা এর উপকারিতা

কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, তোকমার দানা দেহের জন্য উপকারী কোলেস্টেরল উৎপাদন করে থাকে। এছাড়াও রক্তে চর্বির পরিমাণ কমানো, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে হার্ট সুস্থ রাখে। হাড় গঠনে সাহায্য করে।
  • রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকর তোকমা। মূলত দেহের বিপাকক্রিয়া ধীর করে দেয় তোকমা। ফলে কার্বোহাইড্রেটকে গ্লুুকোজে রূপান্তরের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
  • কো-ষ্ট-কাঠিন্য সমস্যা দূর করতে খুবই কার্যকর তোকমা। সামান্য তোকমা অল্প পানিতে ভিজিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর তা দুধে মিশিয়ে খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। এটি হজমের সমস্যাও দূর করতে সহায়তা করে।
  • ত্বকের নানা সমস্যায় তোকমা ব্যবহার করা যায়। এটি নানা চর্মরোগ নিরাময়ে কাজ করে। এটি একজিমা ও সোরিয়াসিস নিরাময়ে কার্যকর। সুস্থ চুলের জন্য এটি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।
  • তোকমা বীজে রয়েছে ঠাণ্ডা প্রতিরোধী উপাদান। এটি আপনার দেহকে ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা গড়তে সহায়তা করবে। সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকতে চাইলে তাই নিয়মিত তোকমা খাওয়া যেতে পারে।
  • তুলশী বীজ এর উপকারিতা

    তুলসীর পাতাই নয়, তুলসীর বীজও দারুণ উপকারী। তুলসী পাতার মতোই তুলসী বীজও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন- সাধারণ সর্দি এবং ফ্লু জাতীয় সমস্যা থেকেও মুক্তি পেতে এই বীজের জুড়ি মেলা ভার। শুধু তা-ই নয়, পেশীতে টান পড়লেও এই বীজ খেলে আরাম পাওয়া যাবে।
  • তুলসীর বীজে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তুলসী বীজে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি প্রতিরোধ করে। তুলসীর বীজ ব্যবহার করলে অনেক দিন তরুণ থাকতে পারবেন।
  • তুলসী বীজ মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। এগুলো সেবন করলে মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তুলসীর বীজ মানসিক রোগের ঝুঁকি কমায়।
  • তুলসী বীজে প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন ইত্যাদির মতো পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, তুলসীর বীজ খেলে কো-ষ্ঠ-কাঠিন্য, অ্যাসিডিটি এবং পেটে গ্যাসের মতো সমস্যা কমে। তুলসীর বীজে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, যা শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
  • ইসবগুল বীজ এর উপকারিতা

    কো-ষ্ঠ-কাঠিন্য প্রতিরোধে: ইসবগুল কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। এতে উপস্থিত অদ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের মল নরম করে দেয়। ফলে খুব সহজেই ইলিমিনেশন সম্ভব হয়। তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ২ চামচ ইসবগুলের ভুসি ও ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধ পান করতে পারেন। কেউ যদি রোগটি পুষে রাখেন, তাহলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • রক্তে কোলেস্টেরল কমায়: এ ইসবগুল খেলে আমাদের অন্ত্রে একধরনের স্তর তৈরি হয়। যা কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দান করে। ফলে আমাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তাই হৃদরোগীদের জন্য দারুণ একটি খাবার এটি।
  • ওজন কমায়: এতে ফাইবার উপস্থিত থাকায় হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয়। তাই ক্ষুধা লাগে অনেক কম। এটি খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়।
  • হালিম বীজ এর উপকারিতা

    এই বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের পেট ব্যাথা দূর করতে খুবই উপকারী। হালিম বীজ ফাইবার ও প্রোটিনের ভালো উৎস। ফলে খাবার তৃপ্তিদায়ক হয়ে ওঠে।
  • হালিম বীজ অ্যানিমিয়া দূর করতে খুবই কার্যকরী। এটি লোহার উচ্চ মাত্রা লাল রক্ত কোষের উৎপাদনকে উৎসাহ দেয় এবং শরীরে হিমোগ্লোবিন এর স্তর বৃদ্ধি করে। ফলে অ্যানিমিয়া প্রকোপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  • হালিম বীজ আ্যন্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। তাই এটি শরীরকে বিভিন্ন জীবাণু এর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
  • জ্বর, সর্দি, গলা ব্যাথা দূর করে- হালিম বীজ আন্টি মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য যুক্ত হওয়ার জন্য এটি জ্বর সর্দি সহ শ্বাস প্রশ্বাস এর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে।
  • চিয়া বীজ ওজন কমাতে সহায়তা করে

    চিয়া সিডে উচ্চমাত্রার ফাইবার এবং প্রোটিন থাকায় যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী। প্রতি ২৮ গ্রাম চিয়া সিডে ১০ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার থাকে, যা আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যচাহিদার প্রায় ৩৫%। চিয়া সিডে বিদ্যমান ফাইবার বা খাদ্যআঁশ মূলত দ্রবণীয়।

    চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম, পুষ্টিগুণ

    চিয়া সিড পুষ্টিকর খাবার। এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালংশাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩।

    সুপারফুড চিয়া সিডের উপকারিতা

    বর্তমান সময়ে অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। বিশেষ করে করোনাকালীন জটিলতার পর সেই সতেচনতা বেড়ে গিয়েছে আরও কয়েক গুণ। প্রতিদিনের খাবার ও খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাবারের তালিকায় এখন বেশ জনপ্রিয় ‘চিয়া সিড’।

    প্রতিদিন চিয়া সিড খাওয়া কি স্বাস্থ্যকর?

    বর্তমান সময়ে অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। বিশেষ করে করোনাকালীন জটিলতার পর সেই সচেতনতা বেড়ে গিয়েছে আরও কয়েক গুণ। প্রতিদিনের খাবার ও খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাবারের তালিকায় এখন বেশ জনপ্রিয় ‘চিয়া সিড’। পুষ্টিবিদরা বলছেন, সকালের নাশতায়, দুপুরে খাবার শেষে দইয়ের সঙ্গে কিংবা রাতে শেষপাতে মিষ্টিমুখ করতে পুডিংয়ের মধ্যে চিয়া সিড। সবকিছুতেই ইদানীং চিয়া সিডের ব্যবহার করার চল হয়েছে। চিয়ার যে নানা রকম পুষ্টিগুণ রয়েছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। যেহেতু চিয়া সিডে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, তাই পানিতে ভেজানো চিয়া খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভর্তি থাকে এবং বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। তবে সরাসরি মেদ ঝরানোর সঙ্গে চিয়া সিডের আদৌ কোনো যোগ আছে কি না, তার প্রমাণ না পাওয়া গেলেও এই বীজ অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে হজমের সমস্যা হয়, সে বিষয়ে নিশ্চিত চিকিৎসকরা।মধু এর উপকারিতা মধু শিশুদের হাড়ের গঠন মজবুত করে, দৃষ্টিশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। রাতের বেলা দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করলে আপনার অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করবে।শারীরিক দূর্বলতা দূরীকরণে মধুর রয়েছে বিশেষ ভূমিকা ৷"নিয়মিত মধু পান বাতের ব্যথা উপশম করে।মধুতে বিদ্যমান অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ত্বকের রং সুন্দর করে এবং তারুণ্যতা বজায়ে রাখতে সহায়তা করে ৷রক্তশূন্যতা ও কো-ষ্ঠ-কাঠিন্য দূর করতে: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কো-ষ্ঠ-কাঠিন্য দূর করে। হিমালয়ান পিংক সল্ট এর উপকারিতা শরীরে বিভিন্ন জয়েন্ট বা গাঁট-কে সুস্থ রাখে।হাঁড় ভালো রাখে।ঘুম ভালো হয়।হজমশক্তি বাড়ে।যৌন ক্ষমতা বাড়ায় মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।বলিরেখা কমায়।শরীর থেকে টক্সিন বার করে।এনার্জিতে ভরপুর রাখে।ডায়াবিটিস এর ক্ষেত্রেও এর অপরিহার্য তা অনেকটাই। এই সল্ট আমাদের শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ডায়াবিটিস হওয়ার ভয় অনেকটাই কমিয়ে দেয়।এই সল্ট আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে। পরিমাণমতো জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এর মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।*শরীরে বিভিন্ন জয়েন্ট বা গাঁট-কে সুস্থ রাখে।হাঁড় ভালো রাখে।ঘুম ভালো হয়।হজমশক্তি বাড়ে।যৌন ক্ষমতা বাড়ায়।মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।বলিরেখা কমায়।শরীর থেকে টক্সিন বার করে।এনার্জিতে ভরপুর রাখে।ডায়াবিটিস এর ক্ষেত্রেও এর অপরিহার্য তা অনেকটাই। এই সল্ট আমাদের শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ডায়াবিটিস হওয়ার ভয় অনেকটাই কমিয়ে দেয়।এই সল্ট আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে। পরিমাণমতো জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এর মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

    বনাজি বিডি থেকে মধু আপনি কেন নিবেন !

    আমাদের মধু শতভাগ খাটি এই নিশ্চয়তা আমরা আপনাদের দিচ্ছি। সামান্য ভেজাল প্রমান করতে পারলে বনাজি বিডি থেকে আপনাকে পুরস্কৃত করা হবে।

    বনাজি বিডি দক্ষ মধু সংরক্ষণকারী টিম আমাদের মধুগুলো সংরক্ষণ করে থাকেন। বিভিন্ন মধু বিভিন্ন এলাকা থেকে কালেক্ট করা হয়, সরিষা ফুলের মধুটা সাতক্ষীরা ও মানিকগঞ্জ থেকে এবং লিচু ফুলের মধু মাগুরা , রাজশাহি থেকে কালেক্ট করা হয়, অন্যান্য মধু বেশিরভাগ সুন্দরবন বা সুন্দরবনের আশেপাশের এলাকা থেকে সংরক্ষণ করা হয়।

    স্যার আমাদের ডেলিভারি চার্জ ফ্রী,
    আর আমাদের কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে হয় তাই কমে দেয়া যায় না

    জ্বি স্যার, সারা বাংলাদেশ আমরা ফ্রি হোম ডেলিভারী দিয়ে থাকি । ঢাকার ভিতরে একদিনের মধ্যেই পেইয়ে যাবেন এবং ঢাকার বাইরে সময় সাপেক্ষে ২/৩ দিন লাগতে পারে ।

    আমাদের থেকে বিস্তারিত জানতে এই নাম্বারে কল করুন- 01854240036